প্রচারে নিষেধাজ্ঞা কমিশনের, প্রতিবাদে আগামীকাল ধরনায় মমতা

প্রচারে নিষেধাজ্ঞা কমিশনের, প্রতিবাদে আগামীকাল ধরনায় মমতা

এবার টানা একদিন প্রচারেরই বাধা। নির্বাচন কমিশনের একের পর এক পদক্ষেপে তুমুল ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। সোমবারের নির্দেশের বিরুদ্ধে আগামীকাল গান্ধীমূর্তির পাদদেশে ধরনায় বসছেন তিনি। 
 কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে‌ প্ররোচনা দিয়েছেন। সংখ্যালঘুদের উসকেছেন। এজন্য ২৪ ঘণ্টা রাজ্যে প্রচার করতে পারবেন না মমতা। নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। আগামীকাল, মঙ্গলবার বারাসত, বিধাননগর, হরিণঘাটা ও কৃষ্ণগঞ্জে মুখ্যমন্ত্রীর সভা করার কথা ছিল। এই নিষেধাজ্ঞার কারণে সভাগুলো বাতিল করতে হচ্ছে। এসবের জন্য তৃণমূল বিজেপি–কেই দায়ী করছে। তাদের অভিযোগ মোদি সরকারের ইন্ধনেই এসব পদক্ষেপ করছে কমিশন। 
মমতা ব্যানার্জি নিজেই টুইটারে জানিয়েছে, ‘‌নির্বাচন কমিশনের অগণতান্ত্রিক, সংবিধানবিরোধী সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আগামীকাল কলকাতায় গান্ধীমূর্তির পাদদেশে দুপুর ১২টায় ধরনায় বসছি।’‌ 
দলের জাতীয় মুখপাত্র ডেরেক ও’ব্রায়েন টুইটারে লিখলেন, ‘এটা গণতন্ত্রের পক্ষে কালো দিন।’ মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বললেন, ‘‌মানুষ এর জবাব দেবে। পক্ষপাতদুষ্ট কমিশন বিজেপি–র শাখা সংগঠন। ভোটের বাক্সে এর জবাব দেবে মানুষ।’‌
মুখ্যমন্ত্রীর ওপর নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞায় অবশ্য কোনও ভুল দেখছেন না সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী। যাদবপুর কেন্দ্রের মোর্চা প্রার্থীর কথায়, ‘‌নির্বাচন কমিশন ওঁকে শোকজ করেছিল। তার পরিপ্রেক্ষিতেই এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে আমার মনে হয়। যেভাবে উনি প্ররোচনা সৃষ্টি করেছেন, তাতে একদিনের জন্যও প্রচার বন্ধ করাতে আমি বেঠিক বলে মনে করি না।’‌ 


তবে পরিষদীয় নেতা সুজন চক্রবর্তীর প্রশ্ন, ‘‌কিন্তু দিলীপ ঘোষের মুখ কি বন্ধ করা যাবে? সায়ন্তন বসু বা রাহুল সিনহার বিরুদ্ধেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি? যদি এঁদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া না হয়, তাহলে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিরপেক্ষ বলে বিবেচিত হবে না।’‌

BREAKING NEWS মহানগর রাজনীতি রাজ্য