কেন্দ্রীয় বাহিনী দেখতে চাইতে পারবে না পরিচয়পত্র, অভিযোগের ভিত্তিতে নির্দেশ কমিশনের

কেন্দ্রীয় বাহিনী দেখতে চাইতে পারবে না পরিচয়পত্র, অভিযোগের ভিত্তিতে নির্দেশ কমিশনের

অভিযোগ উঠেছিল, কখনও বুথের ভিতর ঢুকে শংসাপত্র দেখতে চাইছেন, কখনও আবার গ্রামে ঢুকে ভোটারদের শাসাচ্ছেন। অভিযোগের পর এবার নড়েচড়ে বসল কমিশন। এডিজি আইনশৃঙ্খলা জগমোহন এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর নোডাল অফিসার অশ্বিনী কুমারের সঙ্গে আজ বৈঠক করেন কমিশনের সিইও। তাতেই স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, বাহিনী শংসাপত্র দেখছে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি আগামী দফাগুলিতে যাতে না দেখা যায়।

কেন্দ্রীয় বাহিনী ভোটারদের পরিচয় পত্র ভেরিফিকেশন করছেন এমন ছবি নিয়ে শুক্রবার কমিশনে অভিযোগ করেছে তৃণমূল সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। যা সম্পূর্ণ নির্বাচনী বিধি বহির্ভূত। এরই পাশাপাশি তাদের অভিযোগ, বিশেষত নন্দীগ্রামের বেশ কিছু বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী অথবা রাজ্য পুলিশ বাহিনী ভিতরে ঢুকে ভোটারদের প্রভাবিত করছে।

বিধিতে উল্লেখ রয়েছে, পুলিশ বা বাহিনীকে বুথের ভেতর ঢুকতে গেলে প্রিসাইডিং অফিসারের অনুমতি নিতে হবে। আর ভোটার কার্ড ভেরিফিকেশন এর দায়িত্ব পোলিং অফিসারের। এই নিয়ে ইতিমধ্যেই ডেপুটি ইলেকশন কমিশনার সুদীপ জৈনকে চিঠি দিয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলেন মমতা ব্যানার্জি। 

আর তারপরেই আজ এডিজি আইন শৃঙ্খলা এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর নোডাল অফিসার অশ্বিনী কুমারের সঙ্গে বৈঠক করেন সিইও। এই বৈঠকে তৃণমূল নেত্রীর অভিযোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়। সিইও দুই আধিকারিককে অভিযোগ খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন এবং কমিশনকে রিপোর্ট করতে বলেছেন। স্পষ্ট জানানো হয়েছে, এমনটা করা যাবে না ভবিষ্যতে। কেন্দ্রীয় বাহিনী পরিচয়পত্র দেখতে চাইতে পারবে না। পাশাপাশি ১১ টি পরিচয়পত্রের মধ্যে যে কোনও একটা দিয়ে ভোট দেওয়া যাবে বলে জানিয়েছে কমিশন।

দেশ মহানগর রাজনীতি রাজ্য